
সিলেটে রাজনীতির মাঠে দেখা যাচ্ছে এক ব্যতিক্রমী ও ইতিবাচক চিত্র। নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও মুখোমুখি হলেই একে অপরের সাথে কুশল বিনিময়ে জড়িয়ে পড়ছেন। জয়-পরাজয়ের হিসাবের চেয়েও এখানে বড় হয়ে উঠেছে পারস্পরিক সম্মান, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন। ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক আদর্শ ও দলের পরিচয় থাকা সত্ত্বেও সিলেটের রাজনীতিতে এখন শালীনতা ও সহনশীলতার প্রকাশ চোখে পড়ার মতো। নির্বাচনী মাঠে লড়াই থাকলেও ব্যক্তিগত আক্রোশ বা বৈরিতার পরিবর্তে সবাই যেন এক কণ্ঠে বলছেন— “জয় পরাজয় বড় কথা নয়, সবাই মিলে গড়বো সিলেট।”
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সিলেট শহরতলির বিমানবন্দর এলাকার পাঁচ তারকা গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে আয়োজিত এক নির্বাচনী সংলাপে এমন দৃশ্য দেখা যায়। প্রথম আলো ও ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে ‘সহিংসতা নয়, গড়ি সম্প্রীতির সিলেট’ শীর্ষক এ সংলাপ চলে বেলা ১টা ২২ মিনিট পর্যন্ত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ শুধু নির্বাচনী পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ রাখছে না, বরং সাধারণ মানুষের মাঝেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। উন্নয়ন ও এলাকার স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার এই মানসিকতা সিলেটের রাজনীতিকে নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরছে।
নাগরিকরাও আশাবাদী—এই সৌহার্দ্য ও সহযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে সিলেট হয়ে উঠবে আরও ঐক্যবদ্ধ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নয়নমুখী এক জনপদ।
শেয়ার করুন
